Skip to main content

Featured

নিজে নিজে কিভাবে পাসপোর্ট করবেন।

  প্রথমে আপনি নিজে নিজেই পাসপোর্ট করতে পারবেন খুব সহজেই 10 বছরের জন্য আপনার যাতায়াত এগুলা দিয়ে মোট 6 হাজার থেকে সাড়ে 6 হাজার টাকা খরচ হবে পাসপোর্ট 10 বছরের জন্য করাই ভালো পাঁচ বছরে করলে লস হয় 2000 টাকার জন্য আপনার কাছে 5 বছর বেড়ে যাবে এজন্য 10 বছরের করে ফেলবেন। তো কিভাবে করবেন এবার প্রচেষ্টা আমি বলছি এই অনুযায়ী করবেন আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়েও করতে পারবেন আপনি নিজে নিজে ফরম পূরণ করতে পারবেন। প্রথমে আপনি পাসপোর্ট যে ওয়েবসাইট আছে ওই ওয়েবসাইটে আপনি আপনার ফরমটি পূরণ করবেন ফরমটি পূরণ করার পরে ফরমটি আপনি পিডিএফ আকারে সেভ করবেন আপনার মোবাইলে পিডিএফটি আপনি কি করবেন তখন আপনি যে কোন কম্পিউটারের দোকানে যে ওই পিডিএফ ফর্ম টি ছাপিয়ে নেবেন এরপরে আপনি ওই পিডিএফ যে ফরমটি ছাপিয়ে নিলেন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম টি আপনি আপনার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস জমা দিবেন জমা দেওয়ার পর কাগজ পাতি লাগবে নাগরিক সনদপত্র আর আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি। আর কিছু লাগবে না আরেকটি কথা হচ্ছে যে আপনার যদি নতুন পাসপোর্ট করেন তাহলে আপনার আইডি কার্ডে যে নাম আছে আপনার পিতার নাম মাতার নাম আপনার নাম শুধুমাত্র আপনার আই...

একসঙ্গে প্রথম শ্রেণীর সকল ছড়া দেওয়া হয়েছে।

 



ছড়া আতা গাছে তোতা পাখি।

আতা গাছে তোতা পাখি

ডালিম গাছে মৌ।

এত ডাকি তবু কথা

কও না কেন বউ।


ছড়ার নাম ইতল বিতল লিখেছেন সুফিয়া কামাল।

ইতল বিতল গাছের পাতা

গাছের তলায় ব্যাঙের ছাতা।

বৃষ্টি পড়ে ভাঙে ছাতা

ডোবায় ডুবে ব্যাঙের মাথা।


ছড়া লিখেছেন রোকনুজ্জামান খান

বাকবাকুম পায়রা

মাথায় দিয়ে টায়রা

বউ সাজবে কালকি?

করবে সোনার পালকি?


হনহন পনপন লিখেছেন সুকুমার রায়

চলে হনহন

ছোটে পনপন

ঘোরে বনবন

কাজে ঠনঠন

বায়ু শনশন

শীতে কনকন

মাছি ভন ভন

থালা ঝনঝন

কাশি খন খন

ফোড়া টন টন


মামার বাড়ি লিখেছেন জসিম উদ্দিন

আই ছেলেরা আই মেয়েরা

ফুল তুলিতে যাই,

ফুলের মালা গলায় দিয়ে

মামার বাড়ি যাই।

ঝড়ের দিনে মামার দেশে

আম কুড়াতে সুখ

পাকা জামের শাখায় উঠি

রঙিন করি মুখ


ভোর হলো লিখেছেন কাজী নজরুল ইসলাম

ভোর হলো দোর খোলো

খুকুমণি ওঠো রে!

ঐ ডাকে জুঁই শাখে

ফুল-খুকি ছোটরে!

খুলি হাল তুলি পাল

ওই তীর চলল,

এইবার এইবার

খুকু চোখ খুললো!

আলসে নয় সে

উঠে রোজ সকালে,

রোজ তাই চাঁদা ভাই

টিপ দেয় কপালে।


মুমুর সাত দন, মুমু রোজ স্কুলে যাই লেখাপড়া করে।

শনিবার সে পড়ার টেবিল সাজায়

রবিবার সে বাগান দেখাশোনা করে।

সোমবার গান শেখে।

মঙ্গলবার সাঁতার কাটে।

বুধবার নিজের ঘর সাফ করে।

বৃহস্পতিবার ছবি আঁকে।

শুক্রবার ছুটির দিন ঐদিন সে খেলাধুলা করে।

সাত দিনে এক সপ্তাহ হয়।


ছুটি লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি,

আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি।

কি করি আজ ভেবে না পাই পথ হারিয়ে কোন বনে যাই।

কোন মাঠে যে ছুটে বেড়াই সকল ছেলে জুটি।

আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি।




Comments